ইলোরা

-বিষ্ণু দে আকাশে তোমার মুক্তি; ? যে কৈলাশ বেঁধেছ ভাস্করতোমার উর্মিল নৃত্যে, নীলিমা সে নৃত্যের সঙ্গিনী ;সেখানে নেইকো সোনা কৌটিল্যের নেই বিকিকিনি,সেখানে শূণ্যের চোখে সম্পূর্ণতা স্বাধীন, ভাস্বর |সে-দক্ষযজ্ঞের নাটে স্থিতি কাঁপে সংহারে-সংহারে,রাজসূয় অসূয়ার যুগ গত কুমার সম্ভবে ;নটরাজ সর্বহারা নীলকণ্ঠ…

এবং লখিন্দর! 

– বিষ্ণুদে হৃদয় তোমাকে পেয়েছি, স্রোতস্বিনী!তুমি থেকে থেকে উত্তাল হয়ে ছোটো,কখনো জোয়ারে আকণ্ঠ বেয়ে ওঠোতোমার সে-রূপ বেহুলার মতো চিনি।তোমার উৎসে স্মৃতি করে যাওয়া আসামনে-মনে চলি চঞ্চল অভিযানে,সাহচর্যেই চলি, নয় অভিমানে,আমার কথায় তোমারই তো পাওয়া ভাষা।রক্তের স্রোতে জানি তুমি খরতোয়া,ঊর্মিল জলে…

উর্বশী 

 – বিষ্ণু দে আমি নহি পুরূরবা। হে উর্বশী,ক্ষনিকের মরালকায়ইন্দ্রিয়ের হর্ষে, জান গড়ে তুলি আমার ভুবন?এসো তুমি সে ভুবনে, কদম্বের রোমাঞ্চ ছড়িয়ে।ক্ষণেক সেখানে থাকো,তোমার দেহের হায় অন্তহীন আমন্ত্রণবীথিঘুরি যে সময় নেই- শুধু তুমি থাকো ক্ষণকাল,ক্ষণিকের আনন্দাঅলোয়অন্ধকার আকাশসভায়নগ্নতায় দীপ্ত তনু জ্বালিয়ে যাওনৃত্যময়…