কবিতা: ভালথাকার মাহেন্দ্রক্ষণ

উম্মে কুলসুম লাইজু।

কদমতলী, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

কবিতা: ভালোথাকার মাহেন্দ্রক্ষণ

অনুভূতি ঝরে যায়
ফোঁটা ফোঁটা শিশিরের মতো
কলাপাতায় শব্দ এঁকে বসে কবিতার রঙে
ঝিলমিল করে ওঠে ভালোবাসার উষ্ণতায়
ঠিকরে ঠিকরে পড়ে আহ্লাদি ঝলকানি
একটি অবয়ব দাঁড়িয়ে যায়
জলরঙ কাব্যের।
অসংখ্য পর্যবেক্ষক দৃষ্টি পরাজিত
তার অনুবাদ ভাবানুবাদের গবেষণায়।

কবিতা
কিছু কৌশলী শব্দের অলংকার
কিছু রংধনু আবেগের আসর
কিছু প্রকাশ অপ্রকাশের উথলে ওঠা মুহূর্ত
কখনো কিছু রোদে পোড়া তামাটে উচ্চারণ
কিছু শ্বাশত ভাবের ফুলঝুরি
কিছু কাশফুল বিকেল
আর এক খণ্ড ঘন সবুজ গালিচার
চিকচিকে মায়াবী প্রহর
আমার সূঁচালো বোধ নিয়ে খেলে যায় অহর্নিশ
ভেঙেচুরে হৃদফলকের মৌন প্রতিমূর্তি
বেরিয়ে আসে একেকটি কবিতার পিরামিড।

ভালোলাগার মঞ্চে কখনো নাচায় দুলিয়ে দুলিয়ে
কখনো কষ্টের তীব্রতায় রঙহীন বর্ষণে
ভিজিয়ে জবুথবু করে
মনের শহরাঞ্চল,
না প্রকাশের ভাষাগুলো খুঁজে নেয়
মনকাড়া শব্দের বাহার পুরো শরীরে,
হালকা হয়ে যায় জমাট মেঘলা আকাশ
যেনো শরৎ থমকে দাঁড়ায়
স্নিগ্ধ অনুভবে।
কবিতাই সৃষ্টি করে
ভালোথাকার মাহেন্দ্রক্ষণ
অন্য রকম বেঁচে থাকার মাইলফলক।

অচিনপুর. কম/ শারমীন সুলতানা ববি।

Post navigation

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *